পাশের বাড়ির আপুকে বিছানায় ফেলে পোঁদ মারলাম - নতুন চটি গল্প
আমার নাম অয়ন। তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি। বয়স মাত্র তেরো-চৌদ্দ। কিন্তু শরীরে যৌবনের ঝড় বইতে শুরু করেছে। গোঁফের রেখা দেখা দিয়েছে, বাল উঠতে শুরু করেছে, আর যেকোনো তরুণী-যুবতীকে দেখলেই ধোনটা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। প্রতিদিন হাত মারা আমার রুটিন হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ের একটা গরম গল্প বলছি তোমাদের।
নানাবাড়ি খুলনায়। নানা মারা গিয়েছেন অনেক আগে, নানী একাই থাকেন। ঈদের ছুটিতে গিয়েছিলাম সেখানে। পাশের বাড়িতে এক ব্যবসায়ীর পরিবার। তাদের পাঁচ মেয়ে আর এক ছেলে। ছেলেটা সবচেয়ে ছোট, স্কুলে ভর্তি হয়নি তখনও। বড় মেয়ে পুষ্প আপু ক্লাস টেনে পড়ে। ফিগারটা তার দুর্দান্ত – বুক ৩৬, পাছা ৪৪। তাকে দেখলেই আমার ধোনটা টনটন করে উঠত। দুই বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিল, প্রথম দিনেই আমাদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। পুষ্প আপু আমাকে খুব পছন্দ করত, বলত আমি নাকি খুব ইন্টেলিজেন্ট। আসলে চশমা পরি বলে লোকে আমাকে আঁতেল ভাবত।
ঘটনাটা ঘটল চলে আসার দুই দিন আগে। ওদের বাড়িতে নিমন্ত্রণ ছিল। দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর মেলায় যাওয়ার প্ল্যান। কিন্তু আমার পেট খারাপ লাগছিল, তাই যাইনি। মা-বাবা গেলেন, আমাকে নানীর কাছে রেখে। নানী নার্স, আমাকে ফ্লাজিল খাইয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। পুষ্প আপু এস.এস.সি. পরীক্ষার জন্য পড়ছিল, তাই সে-ও যায়নি। নানী তাকে ডেকে বললেন আমাকে দেখে রাখতে।
আপু আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিলেন, নিজে টেবিলে বই নিয়ে বসলেন। আমি কাঁথা মুড়ি দিলাম, কিন্তু ঘুম আসে না। আপুর বুকের দিকে চোখ পড়ল, ওড়নার ফাঁক দিয়ে খাঁজ দেখা যাচ্ছে। দেখতে দেখতে স্বপ্ন দেখতে শুরু করলাম। বন্ধু সানির সাথে দেখা থ্রিএক্স মুভিতে আপুকে নায়িকা বানিয়ে কল্পনা করছি। স্বপ্নে আপু আমার ধোন চুষছে, আমি তাকে ডগি স্টাইলে চুদছি। বাস্তবে ধোনটা তাঁবু বানিয়েছে। হঠাৎ আপুর ঝাঁকুনিতে জেগে উঠলাম।
"কিরে, পেট ব্যথা করছে?" আপু জিজ্ঞাসা করলেন। আমি বললাম, "না, তেল মালিশ করে দাও।" আপু সরিষার তেল নিয়ে মালিশ করতে লাগলেন। তার স্পর্শে ধোনটা আবার শক্ত হয়ে গেল। প্যান্ট ফেটে যাবে যেন। আপু দেখে ফেললেন, "সেকি, এটা কী?" আমি লজ্জায় চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু আপু দরজা বন্ধ করে ফিরে এলেন, ওড়না খুলে ফেললেন। "লুকিয়ে তাকাতিস না? এবার ভালো করে দেখ।"
আপু কামিজ খুললেন, কালো ব্রায় মাই দুটো ফেটে বেরোবে যেন। আমি হাত বাড়ালাম, কিন্তু আপু বললেন, "শুধু দেখ।" পরে অভিমান দেখে বললেন, "আচ্ছা, ধর।" ব্রা খুললেন, ডবকা মাই বেরিয়ে এল। আমি জিভ দিয়ে লোল গিললাম। আপু আমার ঠোঁট চেটে নিলেন, তারপর আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। আমি পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলাম, কিন্তু আপু চড় মারলেন, "শিখে নে কীভাবে কিস করতে হয়।" শিখিয়ে দিলেন ফ্রেঞ্চ কিস। আমি মাই চটকাতে লাগলাম, ধোনটা তার তলপেটে ঘাই দিচ্ছে।
আপু প্যান্ট খুললেন, ধোন চুষতে লাগলেন। ব্লোজবের সুখে আমি উহ আহ করছি। নিপল টুইস্ট করছেন। শীঘ্রই মাল বেরিয়ে গেল তার মুখে। সব গিলে ফেললেন। চুমু খেয়ে আঁশটে স্বাদ পেলাম। তারপর ৬৯ পজিশন। আমি তার ভোদা চাটছি, রসের স্বাদ মধুর মতো। আপু ধোন চুষছে। আর সহ্য হল না, মিশনারীতে চলে এলাম। মাই চুষলাম, বোটা খাড়া। ধোন ভোদায় সেট করে ঠাপ মারলাম। প্রথমে ফস্কে পোঁদের কাছে গেল। আপু বললেন, "পোঁদ মারিস, কিন্তু আগে গুদ চোদ।"
এবার ঠিক ভোদায় ঢোকালাম। অর্ধেক ঢুকল, তারপর পুরো। ঠাপাতে লাগলাম। আপু শীৎকার করছেন, "চোদ আমাকে, জোরে। কত বান্ধবী চুদেছিস?" আমি জোরে ঠাপাচ্ছি। পজিশন চেঞ্জ, আপু উপরে। লাফাচ্ছেন, মাই বোঁটায় আঙ্গুল বোলাচ্ছি। আপু বলছেন, "চুদে দে, জল খসবে।" জল খসল, আমিও মাল ঢেলে দিলাম ভেতরে। আপু বললেন, "অনেক দিন পর সুখ পেলাম। এর আগে ক্লাসমেট আর কাজিনের সাথে চুদেছি।"
কনডমের কথা মনে হল, কিন্তু আপু বললেন, "সমস্যা নেই।" ধোন আবার শক্ত হল। এবার আপু বললেন, "পোঁদ মার।" আমি উত্তেজিত। আপু ডগি স্টাইলে বসলেন। পোঁদের ফুটোয় তেল মাখালাম। আস্তে ঢোকালাম। আপু উহ আহ করছেন, "জোরে মার।" আমি ঠাপাতে লাগলাম। পোঁদের টাইটনেসে মজা দ্বিগুণ। আপু হাত দিয়ে ভোদা ঘষছেন। আরও জোরে ঠাপ, মাল বেরিয়ে গেল পোঁদে।
পরের দিন আবার চুদাচুদি করলাম। কয়েকবার গুদ, পোঁদ মারলাম। তারপর ঢাকায় চলে এলাম। এক মাস পর খবর, আপু প্রেগন্যান্ট। বিয়ে হয়ে গেল। ২০০৯-এ দেখা হল, তার মেয়ে অপ্সরী ১২ বছরের। আপু হাসলেন, বুঝলাম সে আমার মেয়ে।
পরের অংশ: অপ্সরীর সাথে নিষিদ্ধ সুখ
সময়টা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি। আমি অয়ন, এখন বয়স চল্লিশের কোঠায়। জীবনটা চলছে ঢাকার একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে ম্যানেজারের চাকরি করে। বিয়ে করেছি, দুটো বাচ্চা আছে, কিন্তু সেই পুরনো স্মৃতিগুলো মাঝে মাঝে এসে টান দেয়। বিশেষ করে পুষ্প আপুর সেই ঘটনা। ২০০৯ সালে যখন দেখা হয়েছিল, তখনই বুঝেছিলাম অপ্সরী আমারই মেয়ে। পুষ্প আপুর সেই অর্থপূর্ণ হাসি, আর অপ্সরীর চোখ-মুখের সাথে আমার মিল – সব মিলিয়ে নিশ্চিত হয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কথা হয়নি তখন। জীবনের গতিতে সব ভুলে গিয়েছিলাম, অথবা ভুলতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু ভাগ্যের খেলা! গত মাসে একটা বিজনেস মিটিং-এ খুলনা যাই। সেখানে একটা হোটেলে থাকছি। সন্ধ্যায় লবিতে বসে চা খাচ্ছি, হঠাৎ একটা পরিচিত মুখ দেখলাম। পুষ্প আপু! এখন বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি, কিন্তু সেই ফিগারটা এখনও ধরে রেখেছে। বুক-পাছা এখনও ৩৮-৪৬ মাপের মতো, চুলে কয়েকটা পাকা ধরেছে, কিন্তু চোখে সেই পুরনো আগুন। সাথে ছিল অপ্সরী – এখন ২৯ বছরের যুবতী, একটা প্রাইভেট ফার্মে জব করে। দেখতে ঠিক পুষ্প আপুর যৌবনের ছবি, কিন্তু চোখ-মুখে আমার ছাপ। অপূর্বও ছিল, ২৫ বছরের ছেলে, কিন্তু সে তো পুষ্প আপুর স্বামীর সাথে।
"অয়ন? তুমি?" পুষ্প আপু চিনতে পেরে এগিয়ে এলেন। আমি উঠে দাঁড়ালাম, হাত মিলালাম। "আপু, কত বছর পর!" কথা বলতে বলতে অপ্সরীকে দেখলাম। সে আমাকে চিনতে পারেনি, কিন্তু তার চোখে একটা অদ্ভুত টান। "এ হলো আমার মেয়ে অপ্সরী," আপু বললেন। আমি হাসলাম, "খুব সুন্দরী হয়েছে।" অপ্সরী লজ্জা পেয়ে হাসল। সন্ধ্যায় ডিনারের প্ল্যান হলো। অপূর্ব আর আপুর স্বামী অন্য কাজে ব্যস্ত, তাই শুধু আমরা তিনজন।
ডিনারের পর আপু বললেন, "অয়ন, তোমার রুমে যাই? পুরনো কথা বলি।" অপ্সরীও বলল, "আমিও যাব মা, অয়ন আঙ্কেলের সাথে কথা বলতে ভালো লাগছে।" আমার হার্টবিট বেড়ে গেল। রুমে এসে বসলাম। আপু ওয়াইনের বোতল নিয়ে এসেছিলেন। "চিয়ার্স, পুরনো দিনের জন্য!" কয়েক পেগের পর আপু বললেন, "অয়ন, অপ্সরী তোমার মেয়ে। তোমার রক্ত।" অপ্সরী অবাক হয়ে তাকাল, "মা, কী বলছ?" আপু সব খুলে বললেন – সেই ক্লাস সেভেনের ছেলের সাথে তার চোদাচুদি, প্রেগন্যান্সি, বিয়ে। অপ্সরী শুনে চুপ হয়ে গেল, কিন্তু তার চোখে কোনো রাগ নেই, বরং একটা অদ্ভুত আকর্ষণ। "তাহলে তুমি আমার বাবা?" সে আমার দিকে তাকাল। আমি মাথা নাড়লাম।
রাত বাড়ল। আপু বললেন, "অপ্সরী, তোমার বাবার সাথে একা কথা বল। আমি একটু বাইরে যাই।" আপু চলে গেলেন। অপ্সরী আমার পাশে বসল। "আমি তোমাকে দেখে কেন যেন টান অনুভব করতাম। এখন বুঝলাম কেন।" তার হাত আমার হাতে রাখল। আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। অপ্সরী এগিয়ে এল, তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে চেপে ধরল। আমি বাধা দিতে চাইলাম, "এটা ঠিক নয়, তুমি আমার মেয়ে।" কিন্তু সে বলল, "আমি তোমাকে চাই, বাবা। এটা আমাদের রক্তের টান।" তার কথায় আমার সব নিয়ন্ত্রণ হারাল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম, পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলাম। অপ্সরীর ঠোঁট নরম, মিষ্টি, ঠিক তার মায়ের মতো।
অপ্সরী আমার শার্ট খুলে ফেলল। তার হাত আমার বুকে, নিপলে। "বাবা, তোমার শরীর এখনও কী ফিট!" আমি তার টপ খুললাম। ভেতরে লাল ব্রা, মাই দুটো ৩৪ সাইজের, খাড়া বোঁটা। আমি ব্রা খুলে মাই চুষতে লাগলাম। অপ্সরী উহ আহ করছে, "চোষো বাবা, তোমার মেয়ের মাই চোষো।" তার স্কার্ট খুললাম, প্যান্টি ভিজে গেছে। আমি প্যান্টি খুলে ভোদা চাটতে লাগলাম। রসের স্বাদ ঠিক পুষ্প আপুর মতো, মধুর মতো। অপ্সরী আমার চুল ধরে টানছে, "চাটো বাবা, তোমার মেয়ের ভোদা চেটে সাফ করো।"
আমার ধোনটা ৬ ইঞ্চি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপ্সরী প্যান্ট খুলে ধোন চুষতে লাগল। "উমমম, বাবার ধোন কী মোটা!" ব্লোজব দিচ্ছে পাকা চোদনবাজের মতো। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না, তাকে বিছানায় ফেললাম। ৬৯ পজিশনে চলে এলাম। আমি তার ভোদা চাটছি, সে আমার ধোন চুষছে। রস বইছে নদীর মতো। তারপর মিশনারী পজিশন। ধোন ভোদায় সেট করে ঠাপ মারলাম। "আহহহ বাবা, চোদো তোমার মেয়েকে।" আমি জোরে জোরে ঠাপাচ্ছি। অপ্সরীর মাই লাফাচ্ছে, আমি চটকাচ্ছি। "জোরে বাবা, ফাটিয়ে দাও আমার গুদ।"
পজিশন চেঞ্জ, অপ্সরী উপরে। লাফাচ্ছে, ঠাপ মারছে। "ওহহহ মাগো, বাবার ধোন কী গভীরে যাচ্ছে!" আমি তলঠাপ দিচ্ছি। তার বোঁটায় আঙ্গুল বোলাচ্ছি। অপ্সরী বলছে, "চোদো বাবা, তোমার মাল দিয়ে ভরে দাও আমার গুদ।" আর সহ্য হল না, জল খসল তার, আমিও মাল ঢেলে দিলাম ভেতরে। অপ্সরী আমার উপর শুয়ে পড়ল, "বাবা, কী সুখ দিলে!"
হঠাৎ দরজা খুলে পুষ্প আপু ঢুকলেন। "দেখলাম তোমরা কী করছ!" কিন্তু রাগ নেই, হাসি। "আমিও যোগ দেই?" আপু কাপড় খুলে বিছানায় এলেন। এখন তিনজন। আপু আমার ধোন চুষতে লাগলেন, অপ্সরী আপুর ভোদা চাটছে। তারপর ডগি স্টাইলে আপুকে চুদলাম, অপ্সরী নিচে শুয়ে আপুর মাই চুষছে। আপু শীৎকার করছেন, "চোদ অয়ন, তোর আপুকে চোদ।" মাল বেরিয়ে গেল আপুর গুদে।
এরপর অপ্সরীর পোঁদ মারলাম। আপু তেল মাখিয়ে দিলেন। অপ্সরী ডগিতে বসল, আমি পোঁদে ঢোকালাম। "আহহহ বাবা, পোঁদ ফাটিয়ে দাও।" জোরে ঠাপাচ্ছি, আপু অপ্সরীর ভোদায় আঙ্গুল দিচ্ছেন। মাল বেরিয়ে গেল পোঁদে। রাতভর চুদাচুদি চলল। সকালে আপু বললেন, "এটা আমাদের সিক্রেট। আবার দেখা হবে।"

0 Comments