সর্বশেষ

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

বাবা মেয়ের জীবন কাহিনী ✅


 আমার নাম রাহুল, বয়স ৪৫। আমি একটা ছোট শহরে থাকি, একটা ফ্যাক্টরিতে ম্যানেজারের চাকরি করি। আমার স্ত্রী মারা গেছে পাঁচ বছর আগে, একটা অ্যাক্সিডেন্টে। তারপর থেকে আমি আর আমার মেয়ে অনিকা, আমরা দুজনেই একা। অনিকা এখন ১৯ বছরের, কলেজে পড়ে। সে দেখতে অসম্ভব সুন্দরী – ফর্সা গায়ের রং, লম্বা চুল, ছোট ছোট দুধ যেন দুটো পাকা আম, আর পাছাটা এমন গোলাকার যে দেখলেই মনে হয় চেপে ধরে চুদতে। আমি জানি এটা বলা ঠিক না, কিন্তু সত্যি কথা, তার মায়ের মতোই সেক্সি ফিগার। আমরা দুজনে একসাথে থাকি, কিন্তু কখনো এমন কিছু হয়নি যা সমাজের চোখে খারাপ। কিন্তু সবকিছু বদলে গেল যখন অনিকার দুই বান্ধবী, সোমা আর তিনা, আমাদের বাড়িতে এসে থাকতে শুরু করল।


সোমা আর তিনা, দুজনেই অনিকার ক্লাসমেট। সোমা ১৮ বছরের, গায়ের রং একটু গম রঙের, কিন্তু তার দুধগুলো বড় বড়, যেন দুটো তরমুজ, আর পাছাটা এত চওড়া যে হাঁটলে দুলে দুলে ওঠে। তিনা ১৯, স্লিম ফিগার, কিন্তু তার ঠোঁটগুলো এমন মোটা যে চুমু খেতে ইচ্ছে করে, আর তার গুদটা, পরে জেনেছি, খুব টাইট। ওরা দুজনেই হস্টেলে থাকত, কিন্তু হস্টেলের সমস্যা হয়ে যাওয়ায় অনিকা ওদের আমাদের বাড়িতে নিয়ে এল। আমি রাজি হয়ে গেলাম, কারণ বাড়িতে একা থাকতে ভালো লাগে না। কিন্তু আমি জানতাম না যে এটা আমার জীবনের সবচেয়ে গরম অধ্যায় শুরু করবে।


প্রথম দিন থেকেই দেখলাম, মেয়েরা তিনজনেই খুব ফ্রি। সকালে উঠে শর্টস আর টপ পরে ঘুরে বেড়ায়, যাতে তাদের পা আর দুধের আকার স্পষ্ট দেখা যায়। অনিকা আমাকে বলল, "বাবা, সোমা আর তিনা তোমাকে খুব পছন্দ করে। ওরা বলছে তুমি খুব হ্যান্ডসাম।" আমি হেসে উড়িয়ে দিলাম, কিন্তু ভিতরে ভিতরে একটা উত্তেজনা অনুভব করলাম। রাতে যখন ঘুমাতে যাই, আমার ঘরের পাশেই ওদের ঘর। এক রাতে আমি শুনতে পেলাম ওদের ফিসফিস করে কথা বলা। আমি দরজার কাছে গিয়ে কান পাতলাম।


সোমা বলছে, "অনিকা, তোর বাবা তো খুব সেক্সি রে। তার ধোনটা কত বড় হবে বল তো?" অনিকা হাসতে হাসতে বলল, "ধুর, বাবা সম্পর্কে এসব বলিস না। কিন্তু সত্যি, আমি একবার দেখেছি যখন সে শাওয়ার থেকে বেরোয়, তার ধোনটা ঝুলে থাকে, মোটা মোটা।" তিনা বলল, "আমি তো চুদতে চাই তার সাথে। তোরা কী বলিস?" আমি শুনে অবাক হয়ে গেলাম। আমার নিজের মেয়ে তার বান্ধবীদের সাথে আমার ধোন নিয়ে কথা বলছে! আমার ধোনটা খাড়া হয়ে গেল, আমি ঘরে গিয়ে হ্যান্ডজব করলাম, মনে মনে অনিকার গুদ চুদছি।


পরের দিন সকালে, আমি কিচেনে চা বানাচ্ছি। অনিকা এসে আমার পিছনে দাঁড়িয়ে বলল, "বাবা, তোমার শরীরটা এখনো কত স্ট্রং!" বলে সে আমার পিঠে হাত বোলাল। আমি ঘুরে দেখলাম, সে শুধু একটা টাওয়েল পরে আছে, তার দুধের নিপলগুলো স্পষ্ট। আমার ধোনটা আবার খাড়া হয়ে গেল। আমি বললাম, "অনিকা, তুই এমন করে থাকিস কেন? লজ্জা করে না?" সে হেসে বলল, "বাবা, তুমি তো আমার সবকিছু। লজ্জা কীসের?" বলে সে আমার গালে একটা চুমু দিল। সেই চুমুতে আমার শরীরে আগুন লেগে গেল।


সন্ধ্যায়, সোমা আর তিনা এল। ওরা বলল, "আঙ্কল, আজ আমরা একটা গেম খেলব। ট্রুথ অর ডেয়ার।" আমি রাজি হলাম, ভাবলাম মজা হবে। খেলা শুরু হল। প্রথমে তিনা আমাকে জিজ্ঞাসা করল, "ট্রুথ: আপনি কখনো কোনো মেয়েকে চুদেছেন আপনার স্ত্রী ছাড়া?" আমি লজ্জা পেয়ে বললাম, "না।" কিন্তু সত্যি কথা, আমি একবার আমার অফিসের একটা মেয়েকে চুদেছি। পরের রাউন্ডে অনিকা বলল, "ডেয়ার: বাবা, তুমি সোমাকে একটা কিস করো।" আমি অবাক, কিন্তু সোমা এগিয়ে এল। আমি তার ঠোঁটে চুমু দিলাম, কিন্তু সে তার জিভ ঢোকাল আমার মুখে। আমার ধোনটা প্যান্টের ভিতরে লাফাতে শুরু করল।


খেলা চলতে চলতে, সবাই একটু একটু করে নেশা করলাম। তিনা বলল, "আঙ্কল, আপনার ধোনটা দেখান তো।" অনিকা বলল, "হ্যাঁ বাবা, দেখা। আমরা সবাই অ্যাডাল্ট।" আমি লজ্জা পেলাম, কিন্তু উত্তেজনায় প্যান্ট খুললাম। আমার ৭ ইঞ্চি ধোনটা খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সোমা বলল, "ওয়াও, কত বড়! আমি চুষব?" বলে সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার ধোনটা মুখে নিল। সে চুষতে শুরু করল, তার জিভটা আমার ধোনের মাথায় ঘুরছে। অনিকা আর তিনা দেখছে, অনিকা তার গুদে হাত দিয়ে ঘষছে। আমি বললাম, "অনিকা, তুই..." সে বলল, "বাবা, আমি তোমাকে চাই। তুমি আমার প্রথম।"


সোমা আমার ধোন চুষে চুষে লাল করে দিল। তারপর তিনা এল, সে তার দুধগুলো বের করে আমার ধোনের মাঝে রাখল, টিটফাক করতে শুরু করল। তার দুধগুলো নরম নরম, আমার ধোনটা স্লিপারি হয়ে গেল। অনিকা দেখে দেখে উত্তেজিত হয়ে তার প্যান্টি খুলে ফেলল। তার গুদটা ফর্সা, ছোট ছোট বাল, আর ভিতরটা গোলাপি। সে বলল, "বাবা, চোদো আমাকে।" আমি আর থাকতে পারলাম না। আমি অনিকাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম, তার পা ফাঁক করে তার গুদে আমার ধোনটা ঢোকালাম। সে চিৎকার করে উঠল, "আহহহ বাবা, ধীরে... তোমার ধোনটা খুব বড়।" আমি ধীরে ধীরে ঠাপ দিতে শুরু করলাম, তার গুদটা টাইট, গরম গরম।


সোমা আর তিনা পাশে বসে নিজেদের গুদ ঘষছে। সোমা বলল, "আঙ্কল, আমাকেও চোদো।" আমি অনিকাকে চুদতে চুদতে বললাম, "আগে আমার মেয়েকে স্যাটিসফাই করি।" অনিকা কাঁপতে কাঁপতে বলল, "বাবা, জোরে... আহহহ... চোদো আমার গুদ ফাটিয়ে দাও।" আমি জোরে জোরে ঠাপ দিতে শুরু করলাম, তার দুধগুলো দুলছে। সে তার নখ দিয়ে আমার পিঠ আঁচড়ে দিল। কিছুক্ষণ পর সে জল খসাল, তার গুদটা ভিজে গেল। আমি তার গুদ থেকে ধোন বের করে সোমার দিকে গেলাম।


সোমা তার পা ফাঁক করে শুয়ে আছে। তার গুদটা গম রঙের, বালগুলো কালো কালো। আমি ধোনটা ঢোকালাম, সে বলল, "আহহহ আঙ্কল, তোমার ধোনটা আমার গুদ ভরে দিয়েছে। চোদো জোরে।" আমি তার পাছা চেপে ধরে ঠাপাতে শুরু করলাম। তার দুধগুলো লাফাচ্ছে, আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষলাম। তিনা পাশে এসে অনিকার গুদ চাটতে শুরু করল। অনিকা বলল, "তিনা, আহহহ... তোর জিভটা অসাধারণ।" আমি সোমাকে চুদে চুদে তার জল খসালাম, তারপর তিনার পালা। তিনার গুদটা খুব টাইট, আমি ঢোকাতে গিয়ে বললাম, "তুই ভার্জিন?" সে বলল, "হ্যাঁ আঙ্কল, তোমার জন্য।" আমি ধীরে ধীরে ঢোকালাম, তার রক্ত বেরোল, কিন্তু সে বলল, "চোদো, ব্যথা ভালো লাগছে।"


আমি তিনাকে চুদতে চুদতে অনিকাকে বললাম, "মা, তুই আমার সোনা।" অনিকা বলল, "বাবা, তুমি আমার সব। প্রতিদিন চুদবে আমাকে।" আমি তিনার গুদে মাল ঢেলে দিলাম, গরম গরম ফ্যাদা। তারপর সবাই একসাথে শুয়ে পড়লাম, নগ্ন। সোমা বলল, "আঙ্কল, এটা আমাদের গোপন। কিন্তু প্রতি রাতে এমন করব।" অনিকা আমার ধোনটা ধরে বলল, "হ্যাঁ বাবা, তোমার এটা আমাদের।"


পরের দিনগুলোতে আমাদের বাড়ি হয়ে উঠল চোদাচুদির স্বর্গ। সকালে অনিকা আমার ধোন চুষে দুধ খায়, দুপুরে সোমা আমাকে রাইড করে, রাতে তিনা তার পাছা দিয়ে নেয়। একদিন অনিকা বলল, "বাবা, আমি প্রেগন্যান্ট হতে চাই তোমার বাচ্চা দিয়ে।" আমি বললাম, "সোনা, তাহলে চোদা চলুক।" আমরা চারজনেই একসাথে মিলে চুদি, গুদ চাটি, ধোন চুষি। এটা আমাদের বাস্তব কাহিনী, গরম আর অশ্লীল। কেউ জানে না, কিন্তু আমরা সুখী। 💋🥵🔥😘😍🫦💦


### বাবা-মেয়ের গোপন আদর: দ্বিতীয় অংশ


প্রথম অংশের পর থেকে আমাদের বাড়িটা যেন একটা গোপন সেক্স ক্লাবে পরিণত হয়েছে। আমি রাহুল, আমার মেয়ে অনিকা, আর তার দুই বান্ধবী সোমা আর তিনা – আমরা চারজনেই প্রতিদিন নতুন নতুন উপায়ে চোদাচুদি করছি। অনিকা এখন আমার সাথে প্রতি রাতে শোয়, তার নরম শরীরটা আমার বুকে চেপে। সকাল হলে সে আমার ধোনটা চুষে দুধ খায়, যেন তার প্রিয় খাবার। কিন্তু সবকিছু আরও গরম হয়ে উঠল যখন অনিকার কাজিন, রিয়া, আমাদের বাড়িতে এল। রিয়া ২০ বছরের, অনিকার মতোই সেক্সি – লম্বা পা, বড় দুধ যেন দুটো পাকা পেয়ারা, আর তার পাছাটা এমন টাইট যে দেখলেই মনে হয় পিছন থেকে চুদতে। রিয়া কলকাতা থেকে এসেছে, কয়েকদিন থাকবে বলে। আমি জানতাম না যে সে আমাদের গোপন জীবনে যোগ দেবে।


প্রথম দিন রাতে, রিয়া এসে অনিকার ঘরে শুল। আমি আমার ঘরে একা, কিন্তু উত্তেজিত। সোমা আর তিনা সেদিন হস্টেলে ফিরে গেছে, তাই শুধু অনিকা আর রিয়া। মাঝরাতে আমি শুনলাম দরজা খোলার আওয়াজ। অনিকা চুপি চুপি আমার ঘরে ঢুকল, তার পরনে শুধু একটা ছোট নাইটি, যাতে তার দুধের নিপলগুলো ফুটে উঠেছে। সে বিছানায় উঠে বলল, "বাবা, আজ রিয়া আছে, কিন্তু আমি তোমার ধোন ছাড়া থাকতে পারছি না। চোদো আমাকে দ্রুত।" আমি তার নাইটি তুলে তার গুদে হাত দিলাম – ইতিমধ্যে ভিজে গেছে। আমি বললাম, "সোনা, রিয়া শুনলে কী হবে?" সে বলল, "সে ঘুমাচ্ছে। জোরে জোরে ঠাপ দাও না।"


আমি অনিকাকে কুকুরের মতো পজিশনে নিলাম, তার পাছা উঁচু করে। আমার ধোনটা তার গুদে ঢোকালাম, ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করলাম। তার গুদটা গরম আর স্লিপারি, প্রতি ঠাপে পচ পচ আওয়াজ হচ্ছে। অনিকা কামড়ে ধরে বলল, "আহহহ বাবা, তোমার ধোনটা আমার গুদের ভিতরে লাফাচ্ছে। আরও গভীরে ঢোকাও।" আমি তার চুল ধরে টেনে ঠাপ দিতে থাকলাম, তার দুধগুলো দুলছে। হঠাৎ দরজা খুলে রিয়া ঢুকল! সে অবাক হয়ে বলল, "অনিকা, এটা কী? আঙ্কল তোমাকে... ও মাই গড!" আমি থেমে গেলাম, কিন্তু অনিকা বলল, "রিয়া, চুপ। এটা আমাদের গোপন। তুই যোগ দিবি?" রিয়া লজ্জা পেয়ে বলল, "কী বলছিস? আঙ্কল আমাদের বাবার মতো। কিন্তু... সত্যি বলতে, আঙ্কলের ধোনটা দেখে আমার গুদ ভিজে গেছে।"


রিয়া এগিয়ে এল, তার চোখে লোভ। সে তার প্যান্টি খুলে ফেলল, তার গুদটা ফর্সা আর শেভড, গোলাপি ঠোঁট। সে বলল, "আঙ্কল, আমাকে চুদবে? আমি কখনো এমন বড় ধোন দেখিনি।" আমি অনিকাকে ছেড়ে রিয়ার দিকে গেলাম। অনিকা বলল, "বাবা, প্রথমে রিয়ার গুদ চাটো। সে ভার্জিন না, কিন্তু তার গুদটা মিষ্টি।" আমি রিয়াকে বিছানায় শুইয়ে তার পা ফাঁক করলাম। তার গুদে জিভ দিলাম, চাটতে শুরু করলাম। তার ক্লিটটা চুষলাম, সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আহহহ আঙ্কল, তোমার জিভটা যাদুকর। চাটো জোরে, আমার জল খসবে।" অনিকা পাশে বসে তার দুধ চুষছে। কিছুক্ষণ পর রিয়া জল খসাল, তার গুদ থেকে রস বেরোল, আমি সব চেটে খেলাম।


তারপর আমি রিয়ার গুদে ধোন ঢোকালাম। সে চিৎকার করে বলল, "ও মা, আঙ্কলের ধোনটা আমার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছে। ধীরে... আহহহ... ভালো লাগছে।" আমি ঠাপ দিতে শুরু করলাম, তার পাছা চেপে ধরে। অনিকা বলল, "রিয়া, তোর দুধগুলো দুলছে দেখ। বাবা, জোরে চোদো ওকে।" আমি জোরে জোরে ঠাপ দিতে থাকলাম, রিয়ার গুদটা টাইট আর গরম। সে তার নখ দিয়ে আমার পিঠ আঁচড়ে দিল, বলল, "আঙ্কল, তোমার ফ্যাদা আমার গুদে ঢালো। আমি তোমার বাচ্চা চাই।" আমি আর থাকতে পারলাম না, তার গুদে গরম মাল ঢেলে দিলাম। অনিকা দেখে উত্তেজিত হয়ে বলল, "বাবা, এবার আমাকে।"


পরের দিন সকালে, সোমা আর তিনা ফিরে এল। ওরা রিয়াকে দেখে অবাক। অনিকা সব বলল, আর বলল, "আজ আমরা সবাই মিলে একটা গ্রুপ সেক্স করব।" আমি রাজি হলাম। আমরা সবাই নগ্ন হয়ে লিভিং রুমে গেলাম। প্রথমে সোমা আমার ধোন চুষতে শুরু করল, তার মোটা ঠোঁটগুলো আমার ধোনের চারপাশে। তিনা রিয়ার গুদ চাটছে, রিয়া চিৎকার করছে, "তিনা, তোর জিভটা অসাধারণ। গভীরে ঢোকা।" অনিকা আমার মুখে তার গুদ বসিয়ে দিল, আমি চাটতে শুরু করলাম। তার রস আমার মুখে পড়ছে।


তারপর পজিশন চেঞ্জ। আমি সোমাকে চুদতে শুরু করলাম, তার বড় পাছা চেপে। সে বলল, "আঙ্কল, তোমার ধোনটা আমার গুদের ভিতরে হিট করছে। জোরে ঠাপ দাও।" পাশে তিনা আর রিয়া ৬৯ পজিশনে, একে অপরের গুদ চাটছে। অনিকা বলল, "বাবা, আমি তোমার পাছা চাটব।" বলে সে আমার পিছনে গিয়ে জিভ দিল। আমার উত্তেজনা বেড়ে গেল, আমি সোমার গুদে মাল ঢেলে দিলাম। তারপর তিনার পালা। তিনা তার পা উঁচু করে বলল, "আঙ্কল, পিছন থেকে চোদো। আমার পাছাটা তোমার।" আমি তার অ্যানালে ধোন ঢোকালাম, ধীরে ধীরে। সে ব্যথায় কাঁদল, কিন্তু বলল, "চোদো, ভালো লাগছে।" আমি ঠাপ দিতে থাকলাম, তার অ্যানাল টাইট।


রিয়া বলল, "আমি সবার সাথে চাই।" আমরা সবাই একসাথে মিলে গেলাম। আমি অনিকাকে চুদছি, সোমা তার দুধ চুষছে, তিনা তার গুদে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছে, রিয়া আমার বলস চাটছে। অনিকা চিৎকার করে বলল, "বাবা, এটা স্বর্গ। সবাই মিলে চোদা চলুক। আহহহ... জল খসছে আমার।" আমরা সবাই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম, ঘর ভরে গেল মাল আর রসে।


কয়েকদিন পর, রিয়া চলে গেল, কিন্তু প্রমিস করল ফিরে আসবে। অনিকা বলল, "বাবা, এবার আমরা একটা ট্রিপে যাব, যেখানে আমরা সবাই নগ্ন থাকব।" আমি হাসলাম, ভাবলাম এই গোপন আদর কখনো শেষ হবে না। সোমা আর তিনা এখন আমাদের ফ্যামিলির অংশ, প্রতিদিন নতুন পজিশন, নতুন খেলা। একদিন সোমা বলল, "আঙ্কল, তোমার ধোনটা আমাদের সবার ফেভারিট। আজ আমি তোমাকে রাইড করব।" বলে সে আমার উপর উঠে ধোনটা তার গুদে নিল, লাফাতে শুরু করল। তার দুধগুলো লাফাচ্ছে, আমি চেপে ধরলাম। অনিকা পাশে বসে বলল, "বাবা, তোমার মাল আমার মুখে দাও।"


আমরা চুদতে চুদতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, কিন্তু উত্তেজনা কমে না। এটা আমাদের বাস্তব জীবনের গরম কাহিনী, অশ্লীল আর ভরপুর চোদাচুদিতে। কেউ জানে না, কিন্তু আমরা সুখে আছি। 💋🥵🔥😘😍🫦💦


### বাবা-মেয়ের গোপন আদর: তৃতীয় অংশ


দ্বিতীয় অংশের পর থেকে আমাদের জীবনটা আরও উত্তাল হয়ে উঠেছে। আমি রাহুল, এখন আমার মেয়ে অনিকা, তার বান্ধবী সোমা আর তিনা, আর কাজিন রিয়া – সবাই মিলে আমাদের বাড়িটা যেন একটা চিরকালীন চোদাচুদির মেলা। রিয়া চলে যাওয়ার পর অনিকা বলল, "বাবা, আমরা একটা ট্রিপে যাব। কোথাও দূরে, যেখানে কেউ আমাদের চেনে না, আর আমরা সারাদিন নগ্ন থেকে চুদতে পারব।" আমি রাজি হয়ে গেলাম। আমরা চারজন – অনিকা, সোমা, তিনা আর আমি – একটা ছোট হিল স্টেশনে একটা প্রাইভেট কটেজ বুক করলাম। রিয়া পরে জয়েন করবে বলে প্রমিস করেছে। কটেজটা জঙ্গলের মাঝে, চারপাশে কেউ নেই, শুধু পাহাড় আর নদী। আমরা পৌঁছাতেই সবাই কাপড় খুলে ফেললাম, নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়াতে শুরু করলাম।


প্রথম দিন সকালে, আমরা কটেজের বাইরে লন এ গেলাম। অনিকা বলল, "বাবা, আজ আমরা আউটডোর সেক্স করব। সূর্যের আলোয় তোমার ধোনটা দেখতে আরও সেক্সি লাগবে।" সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার ধোনটা মুখে নিল। তার জিভটা আমার ধোনের মাথায় ঘুরছে, চুষছে যেন আইসক্রিম। সোমা পাশে এসে তার বড় দুধগুলো আমার মুখে ঘষল, বলল, "আঙ্কল, চোষো আমার নিপল। কামড় দাও।" আমি তার একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষলাম, কামড়ালাম হালকা। তিনা অনিকার পিছনে গিয়ে তার গুদ চাটতে শুরু করল। অনিকা চুষতে চুষতে বলল, "তিনা, আহহহ... তোর জিভটা আমার গুদের ভিতরে ঢোকা। বাবা, তোমার ধোনটা লাল হয়ে গেছে।" আমি উত্তেজিত হয়ে অনিকার মুখে ঠাপ দিতে শুরু করলাম, তার গলা পর্যন্ত ঢোকাচ্ছি।


হঠাৎ রিয়া এসে পৌঁছাল! সে কটেজের গেট খুলে দেখল আমাদের এই অবস্থা। সে হেসে বলল, "ওয়াও, পার্টি শুরু হয়ে গেছে! আমি যোগ দিচ্ছি।" রিয়া তার কাপড় খুলে নগ্ন হল, তার ফর্সা শরীরটা সূর্যের আলোয় চকচক করছে। তার গুদটা শেভড, গোলাপি ঠোঁটগুলো দেখে আমার ধোনটা আরও খাড়া হল। রিয়া এসে সোমার পাশে দাঁড়াল, বলল, "আঙ্কল, তোমার ধোনটা আমি চাই প্রথম।" অনিকা ধোনটা ছেড়ে দিল, রিয়া মুখে নিল। সে চুষতে শুরু করল জোরে জোরে, তার মোটা ঠোঁটগুলো আমার ধোনের চারপাশে টাইট। আমি তার চুল ধরে টেনে বললাম, "রিয়া, তুই অসাধারণ চোষ। তোর গলা পর্যন্ত ঢোকা।" সোমা আর তিনা একে অপরের গুদ ঘষছে, লেসবিয়ান স্টাইলে। অনিকা বলল, "বাবা, এবার চোদো আমাদের সবাইকে একসাথে।"


আমরা সবাই লনে শুয়ে পড়লাম। আমি প্রথমে রিয়াকে নিলাম, তার পা ফাঁক করে তার গুদে ধোন ঢোকালাম। সে চিৎকার করে বলল, "আহহহ আঙ্কল, তোমার ধোনটা আমার গুদ ভরে দিয়েছে। জোরে ঠাপ দাও, ফাটিয়ে দাও।" আমি ঠাপাতে শুরু করলাম, তার দুধগুলো দুলছে। অনিকা রিয়ার মুখে তার গুদ বসিয়ে দিল, রিয়া চাটতে শুরু করল। সোমা আমার পিছনে এসে আমার অ্যানাল চাটছে, তিনা আমার বলস চুষছে। এটা যেন একটা গ্রুপ অর্গি, সবাই মিলে চোদাচুদি। আমি রিয়াকে চুদতে চুদতে বললাম, "রিয়া, তোর গুদটা টাইট, গরম গরম। জল খসা।" সে কাঁপতে কাঁপতে জল খসাল, তার রস আমার ধোন ভিজিয়ে দিল।


তারপর সোমার পালা। সোমা তার বড় পাছা উঁচু করে বলল, "আঙ্কল, পিছন থেকে চোদো। আমার অ্যানালে ঢোকাও।" আমি তার অ্যানালে ধোন ঢোকালাম, ধীরে ধীরে। সে ব্যথায় কাঁদল, "আহহহ... বড় ধোন, কিন্তু ভালো লাগছে। জোরে ঠাপ দাও।" আমি তার পাছা চেপে ধরে ঠাপাতে শুরু করলাম, পচ পচ আওয়াজ হচ্ছে। রিয়া সোমার গুদে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছে, অনিকা তার দুধ চুষছে, তিনা তার ক্লিট ঘষছে। সোমা চিৎকার করে বলল, "আঙ্কল, তোমার মাল আমার অ্যানালে ঢালো। আমি তোমার স্লেভ।" আমি তার অ্যানালে গরম ফ্যাদা ঢেলে দিলাম, সে কাঁপতে কাঁপতে জল খসাল।


এবার তিনা। তিনা স্লিম ফিগার, কিন্তু তার গুদটা খুব টাইট। সে আমার উপর উঠে বলল, "আঙ্কল, আমি রাইড করব। তোমার ধোনটা আমার গুদে নেব।" সে ধোনটা তার গুদে বসিয়ে লাফাতে শুরু করল। তার দুধগুলো লাফাচ্ছে, আমি চেপে ধরলাম। অনিকা পাশে এসে তিনার পাছায় চাটছে, রিয়া তার নিপল কামড়াচ্ছে, সোমা তার ক্লিট ঘষছে। তিনা বলল, "আহহহ... সবাই মিলে আমাকে পাগল করে দিচ্ছে। আঙ্কল, তোমার ধোনটা আমার গুদের ভিতরে হিট করছে।" আমি নিচ থেকে ঠাপ দিতে থাকলাম, তার গুদটা স্লিপারি। কিছুক্ষণ পর সে জল খসাল, তার রস আমার ধোন ভিজিয়ে দিল।


অনিকা শেষে। আমার মেয়ে, আমার সোনা। সে বলল, "বাবা, এবার আমাকে চোদো। আমি তোমার বাচ্চা চাই। তোমার মাল আমার গুদে ঢালো।" আমি অনিকাকে মিশনারি পজিশনে নিলাম, তার পা আমার কাঁধে তুলে। ধোনটা তার গুদে ঢোকালাম, জোরে জোরে ঠাপ দিতে শুরু করলাম। তার গুদটা গরম, ভিজা। সে বলল, "বাবা, আহহহ... তোমার ধোনটা আমার উটেরাস ছুঁয়েছে। জোরে চোদো, ফাটিয়ে দাও।" সোমা, তিনা, রিয়া সবাই পাশে, অনিকার দুধ চুষছে, গুদ ঘষছে। আমি ঠাপাতে ঠাপাতে বললাম, "অনিকা, তুই আমার রানী। তোর গুদটা সবচেয়ে স্বাদু।" সে কাঁপতে কাঁপতে জল খসাল, আমিও তার গুদে মাল ঢেলে দিলাম, গরম গরম ফ্যাদা।


সন্ধ্যায় আমরা নদীর ধারে গেলাম। সেখানে জলের মধ্যে চোদাচুদি শুরু করলাম। রিয়া আমার ধোন চুষছে জলের নিচে, অনিকা তার গুদে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছে। সোমা আর তিনা একে অপরকে চুদছে স্ট্র্যাপ-অন দিয়ে। রাতে কটেজে ফিরে আমরা সবাই এক বিছানায় শুলাম, নগ্ন। প্রতি রাতে নতুন পজিশন – ৬৯, ডগি, কাউগার্ল, অ্যানাল, ওরাল। একদিন অনিকা বলল, "বাবা, আমরা আরও মেয়ে আনব। তোমার ধোনটা সবার জন্য।" আমি হাসলাম, ভাবলাম এই গোপন আদর কখনো শেষ হবে না। ট্রিপ শেষ হয়ে গেল, কিন্তু আমাদের চোদাচুদির কাহিনী চলতে থাকল। রিয়া এখন প্রতি উইকেন্ডে আসে, সবাই মিলে গ্রুপ সেক্স। এটা আমাদের বাস্তবের মতো গরম অশ্লীল কাহিনী, ভরপুর চুদাচুদিতে। 💋🥵🔥😘😍🫦💦

Post a Comment

0 Comments